পিএসজিকে দুর্বল বানিয়েছেন মেসি – ওয়েন

নেইমার-এমবাপ্পে আগে থেকেই ছিলেন। সঙ্গে যোগ দিয়েছেন লিওনেল মেসিও। কাগজে-কলমে বর্তমান সময়ের তো বটেই, সর্বকালের সেরা আক্রমণভাগের ছোট্ট তালিকাতেও অনেকে রাখছেন পিএসজির আক্রমণভাগের নাম।

তবে ফুটবল যে কাগজে-কলমে হয় না, হয় মাঠের রসায়নে, সেটা আরেকবার বোঝা গেল বুধবার রাতে। মেসি, নেইমার, এমবাপ্পের ত্রয়ীকে প্রথমবারের মতো মাঠে নামিয়েছিলেন পিএসজি কোচ মরিসিও পচেত্তিনো।

চ্যাম্পিয়নস লিগে তাঁদের প্রতিপক্ষ ছিল বেলজিয়ান ক্লাব ব্রুগা। দুর্বল প্রতিপক্ষ পেয়ে পিএসজির তারকাখচিত আক্রমণভাগ গোল উৎসব করবেন, এমনটা মনে হয়েছিল।

কিন্তু বাস্তবে হয়েছে তার ঠিক উল্টোটা। কোনোমতে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছেড়েছে পিএসজি। মেসি-নেইমার-এমবাপ্পে রসায়নটা তেমন জমেনি। গোল তো কেউ পানইনি, উল্টো মেসি দেখেছেন হলুদ কার্ড।

সব মিলিয়ে মেসিকে পাওয়ার সুফল কি মিলেছে পিএসজির? লিভারপুল, রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ব্যালন ডি’অরজয়ী সাবেক ইংলিশ ফরোয়ার্ড মাইকেল ওয়েন তেমনটা মনে করছেন না।

মেসি আসার পর দল হিসেবে পিএসজির রসায়নটা ঠিক জমছে না বলেই মনে করেন ওয়েন, ‘মেসি-নেইমার-এমবাপ্পের তিনজন যখন একসঙ্গে খেলে, তখন সে দল দুর্বল হয়ে যায় বলে আমার কাছে মনে হয়। আমি বুঝি না, কেন পিএসজিকে এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের জন্য অন্যতম ফেবারিট মানা হচ্ছে।’

চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজিকে সবাই ফেবারিটই মানছে। কিন্তু ওয়েন এতে গা ভাসাচ্ছেন না।

বিটি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর চোখে দল হিসেবে পিএসজির চেয়ে ইংলিশ ক্লাবগুলো অনেক অনেক শক্তিশালী, ‘হ্যাঁ, পিএসজি দুর্দান্ত একটা দল। যে দুর্দান্ত ফরোয়ার্ড লাইনআপ ওদের আছে, তা দেখে সবাই বিমোহিত। প্রত্যেক খেলোয়াড়ই নিজ নিজ গুণে অসাধারণ। তবে আমার মনে হয় দল হিসেবে চেলসি, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি অনেক অনেক ভালো।’

শুধু তা–ই নয়, ওয়েনের মতে, পিএসজিতে নতুন আসা জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা, আশরাফ হাকিমিরা মেসির চেয়েও নাকি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Check Also

নেইমারের চাওয়া, ব্রাজিলের ১০ নম্বর উঠুক রদ্রিগোর গায়ে

কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড লাইনটা একটু ভেবে দেখুন—নেইমারের সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের জুটি রদ্রিগো ও ভিনিসিয়ুস …

Leave a Reply

Your email address will not be published.