খুতবায় আজান দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১

কুমিল্লায় জুম্মার নামাজে মসজিদের খুতবায় আজান দেয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে আবু হানিফ নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার মুরাদনগর উপজেলার কুড়াখাল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, কুড়াখাল জামে মসজিদে জুমার নামাজে খুতবা শেষে আজান দেয়া নিয়ে দুই পক্ষ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৮-১০ জন আহত হয়।

এদের মধ্যে আহত আবু হানিফকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে বাঙ্গরাবাজার থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, শুক্রবার দুপুরে কুড়াখাল মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আজান মসজিদের ভেতরে নাকি বাইরে দিবে এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

নিহত আবু হানিফের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় গোপন বৈঠক থেকে জামায়াতের ১০ মহিলা কর্মী আটক

সাতক্ষীরায় গোপন বৈঠক কালে জামায়াতে ইসলামের ১০ মহিলা কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার সদর উপজেলার আলিপুর গ্রামের শফির বাঁশতলা নামক এলাকার মৃত রাহাজউদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিলের বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুরের আব্দুল জলিলের স্ত্রী মাজেদা খাতুন (৪৫), বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানার পরানপুর এলাকার মৃত মোস্তফার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫৮), সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বাঁশদাহের মনিরুল বাশারের স্ত্রী খাদিজা পারভীন (৪০),

সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর ঝিলপাড়ার চায়না পারভীন (৩৫), আলিপুর তালবাড়িয়ার ফিরোজা বেগম (৫৫), আলিপুর বাজারখোলা এলাকার ইসমাইল মোড়লের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫০), আলিপুর তালবাড়িয়ার ফরিদা খাতুন (৪৫), রাজিয়া খাতুন (৩৫), একই এলাকার রাফিজা খাতুন (৪৫) ও আলিপুর হাটখোলার বিউটি খাতুন (৪৫)।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হুসেন জানান, সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার উদ্দেশে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াতে ইসলামের গোপন বৈঠক চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে আলিপুরে অভিযান চালিয়ে ১০ মহিলা কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৯টি ব্যক্তিগত রিপোর্ট বই ও কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়। যার নিচের অংশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লেখা আছে। আটককৃতদের শুক্রবার দুপুরে ১৯৭৪ সালের স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্টের ১৫ (৩)/২৫-ঘ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Check Also

কলেজ অধ্যক্ষকে নেতার চড় মারার মুহূর্ত ধরা পড়ল ক্যামেরায়

কলেজ অধ্যক্ষকে চড় মারছিলেন এক নেতা। একবার নয়, একাধিকবার। আর সেই মুহূর্তটি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.