Breaking News

সিঁথিতে সিঁদুর, বিয়ে করেছেন ঈশানের মা

টালিউডপাড়ার গত কয়েকদিনের আলোচিত বিষয় ছিল অভিনেত্রী ও সাংসদ নুসরাত জাহানের বিয়ে, স্বামী ও সন্তান। এই অভিনেত্রী তার সন্তানের পিতৃপরিচয় ও স্বামীর পরিচয় নিয়ে বারবার সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

তবে এবার তাকে নিয়ে আলোচনার কারণ আরও একটি বাড়লো। সম্প্রতি এনা সাহার প্রযোজনা সংস্থা জারেক এন্টারটেনমেন্টের বিশ্বকর্মা পুজোয় একসঙ্গে উপস্থিত হলেন নুসরাত জাহান এবং যশ দাশগুপ্ত।

শুক্রবার তাদের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ফের গুঞ্জন। সত্যিই বিয়ে করেছেন নুসরাত জাহান। এদিন তাঁর সিঁথির সিঁদুর সেই বিয়ের সত্যতাই যেনো প্রকাশ করল আরও একবার। যশ দাশগুপ্তর নতুন ছবি ‘চিনে বাদাম’-এর নায়িকা তথা প্রযোজক এনা সাহার অফিসের বিশ্বকর্মা পূজায় হাজির হয়েছিলেন ‘যশরত’।

হালকা গোলাপি রঙের সালোয়াল কামিজ, কানে সোনার ঝুমকো দুলে চমৎকার লাগছিল ঈশান জননীকে। মাতৃত্বের আলোয় ঝলমল করছিলেন তারকা-সাংসদ। যশের পরনে হালকা নীল শার্ট ও জিনস। পুজোয় গিয়ে একসঙ্গে ছবিও তুললেন।

সেই ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই কানাঘুষো শুরু হয়ে গিয়েছে। তাহলে কি নিখিলের মন্তব্যই সত্যি? আগেই নিখিল জানিয়েছিলেন, দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে বিয়ে করেছেন নুসরাত ও যশ। সেদিন নুসরাতের পরনে ছিল নিখিলের রঙ্গোলির শাড়়ি।

তার সত্যতা অবশ্য জানা যায়নি। কয়েকদিন আগে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নুসরাত। সেখানেও নায়িকার সিঁথিতে জ্বলজ্বল করছে সিঁদুর। ডিসেম্বর মাসে রাজস্থানে তোলা এই ভিডিও নিয়ে তখনও জলঘোলা কম হয়নি।

নুসরাত-নিখিলের বিচ্ছেদের খবরের রোল ওঠে। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যায় যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে চমকে উঠেছেন সকলে। এদিকে নিখিলের সঙ্গে মামলার নিষ্পত্তি হয়নি এখনও। তারই মাঝে একের পর এক বিতর্ক সামলে নিচ্ছেন নুসরাত জাহান।

গত জুনে নুসরাতের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এরপর থেকেই তার সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়ে তুমুল আলোচনা চলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে এই বিতর্ককে পাত্তা দেননি তিনি। গত ২৬ আগস্ট পুত্র সন্তানের জননী হন নুসরাত।

গত বুধবার রাতে প্রকাশ্যে এসেছে নুসরাতের সন্তানের বাবার নাম। কলকাতা পৌরসভার নথি বলছে নুসরাতের ছেলের বাবার নাম দেবাশিস দাশগুপ্ত ওরফে যশ দাশগুপ্ত।

পৌরসভার রেকর্ড অনুযায়ী, নুসরাত পুত্রের পুরো নাম ঈশান জে (জাহান) দাশগুপ্ত। আর এই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসার পরই সিঁদুর মাথায় প্রকাশ্যে এলেন নুসরাত জাহান।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.