Breaking News

নিখিল আমার শারী’রিক ‘চাহি’দা’ পূরণে ছিলেন ব্যর্থ,এবং নিখিল উভকামী : নুসরাত

নিখিল জৈন (Nikhil Jain) এবং নুসরাত জাহানের (Nusrat Jahan) সম্পর্কের জটিলতা ক্রমশ বাড়ছে। প্রায় এক বছর যাবত আলাদা থাকছেন তারা। তুরস্কের বোদরুমে মহা ধুমধাম করে বিয়ে করলেও এক বছরের মাথাতেই কোনও এক অজানা কারণে ভেঙে যায় (Nusrat Jahan Divorce) তাদের সম্পর্ক।

আলাদা থাকতে শুরু করেন নিখিল এবং নুসরাত। যদিও এর পেছনে অবশ্য সকলে নুসরাতকেই দায়ী করেন। নুসরাতের সঙ্গে যশের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। তবে বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে এতদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন নুসরাত।

নিখিল এবং নুসরাতের সম্পর্কের অবনতির কারণ কী? কেনই বা বিয়ের কয়েক মাসের মাথায় আত্মহত্যার পথই বেছে নিয়েছিলেন নুসরাত? এতদিন এই প্রশ্নের জবাব ছিল ধোঁয়াশার আড়ালে। তবে এখন নুসরাতের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে যে তথ্য উঠে আসছে তা রীতিমতো চাঞ্চল্যকর। নিখিল উভকামী! নিখিল-নুসরাত সম্পর্ক-বিতর্কে এলো নতুন টুইস্ট। এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই নেট মাধ্যমে ফের জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

নিখিলকে বিয়ে করার পরই নাকি স্বামীর সম্পর্কে এই অজানা তথ্যটি জানতে পারেন নুসরাত। নুসরাতের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, নিখিল নাকি নুসরাতের ‘চাহিদা’ পূরণ করতে পারছিলেন না! বেশিরভাগ দিনই নাকি নিখিল নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে বাথরুমেই ঘুমিয়ে পড়তেন। এরপর অশান্তি চরমে ওঠে যখন নুসরাত জানতে পারেন তার স্বামী উভকামী। নিখিলের জন্মদিনের রাতেই তিনি নিখিলকে তার সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন!

নুসরাতের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে এও জানা গিয়েছে, নিখিলের ‘সঙ্গী’রা নাকি নুসরাতের ভাল বন্ধু ছিলেন। রূপান্তরকামীদের সঙ্গেও নাকি নুসরাতের স্বামীর সম্পর্ক ছিল বলে জানা যাচ্ছে! স্বামী সম্পর্কে এমন একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। উল্লেখ্য, নিখিলের জন্মদিনের পরপরই নুসরাতকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। একসঙ্গে অনেকগুলো ওষুধ খেয়ে ফেলেছিলেন তিনি। এরপরই কার্যত নিখিলের থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নুসরাত। নিজের ফ্ল্যাটে একা থাকতে শুরু করেন।

নিখিলের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে সংবাদমাধ্যমের কাছে বিবৃতি দিতে গিয়ে নুসরাত তার এবং নিখিলের সম্পর্ককে ‘সহবাস’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। যে কারণে তাকে চূড়ান্ত সমালোচিত হতে হয়েছিল।

এতদিনে সেই বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিবৃতি দিলেন নুসরাত। নুসরাতের দাবি, নিখিলের সঙ্গে তার সম্পর্ককে তিনি নিজে কখনোই ‘সহবাস’ বলেননি। নিখিলের পাঠানো আইনি নোটিসেই প্রথম এই সম্পর্ককে ‘লিভ ইন’ বলে উল্লেখ করা ছিল।

নিজের বক্তব্যের সমর্থনে নুসরাত নিখিলের পাঠানো কোর্ট নোটিসের দুটি লাইন তুলে ধরেছেন। তাতে লেখা আছে, ‘in the circumstances the plaintiff is also not in a position to continue the relation or the union or the live in relationship.’ অর্থাৎ, নুসরত বলতে চেয়েছেন নিখিলই প্রথম ‘লিভ ইন’ বা ‘সহ’বাস’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। তিনি নন। যদিও নিখিল নুসরাতের সব দাবি অস্বীকার করছেন।

নিখিল জানিয়েছেন, “আমি সহবাস শব্দটা ব্যবহার করব কী করে? আমি তো নিজে ওকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করেছিলাম! নুসরত আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। আমি ওকে বার করে দিইনি। যখন বুঝলাম, ও যশের সঙ্গেই এখন থাকবে, তখন আইনি নোটিস পাঠাই।’’ তিনি আরও বলেছেন, পুরো আইনি নোটিশটি পড়লেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। কারণ নোটিসের প্রথমেই লেখা আছে, “আমি নুসরতকে বিয়ে করেছি।”

এদিকে নিখিলের সঙ্গে তার ছোটবেলার বন্ধুর শারী’রিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে যে তরজা চলছে তার পরিপ্রেক্ষিতে যারপরনাই ক্ষুব্ধ নিখিল। নিখিল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি স্ট্রেট। যে বন্ধুর সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে জলঘোলা চলছে তাকে নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “ও আমার ছোটবেলার বন্ধু।

ওর পরিবারের সঙ্গে আমার পরিবারের খুবই ঘনিষ্ঠতা। সেই ঘনিষ্ঠতা নিয়ে এত নোংরা ব্যাখ্যা করা হল?’’ নুসরাত প্রসঙ্গে নিখিলের বক্তব্য, ‘‘নুসরত পরিবার পেয়েছে। তা নিয়ে সুখে থাকুক। আমার সম্পর্কে এসব বলে ও কী প্রমাণ করতে চাইছে?’’

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.