Breaking News

কম খরচে যে কেউ রা’ত কা’টাতে পারবেন: কণ্ঠশিল্পী সালমা

নিজস্ব অর্থায়নে একটি রিসোর্ট তৈরি করেছেন কণ্ঠশিল্পী সালমা। বর্তমানে এই রিসোর্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানেময়মনসিংহে অবস্থান করছেন তিনি। সালমা গণমাধ্যমকে বলেন, অনেকদিন ধরেই এমন একটি

পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তা করেছি। অবশেষে সেটি বাস্তবায়নের কাজও শুরু করেছি। রিসোর্টটির নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে আছে।

তিনি বলেন, কম খরচে যেকেউ রাত কা’টাতে পারবেন। আশা করছি দ্রুতই বিনোদন পিয়াসীদের জন্য উ’ন্মুক্ত করা যাবে রিসোর্টটি। এই কাজটির জন্য মাঝে মাঝেই এখানে আসতে হয় আমার।

এদিকে মৌলিক গানে কণ্ঠ দিয়ে যাচ্ছেন সালমা। অল্প করে হলেও স্টেজের গানেও দর্শকদের মাতাচ্ছেন তিনি। টিভির গানের অনুষ্ঠানগুলোতেও রয়েছে তার সরব উপস্থিতি।

ক’রো’নাকা’লেও নানাবিধ সামাজিক কর্মকা’ণ্ডে ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে কণ্ঠশিল্পী সালমার। তার প্রতিষ্ঠিত সাফিয়া ফাউন্ডেশনের হয়ে তিনি সাহায্য করেছেন দরিদ্র মানুষদের।

পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

ময়মনসিংহে মো. সাদ্দাম হোসেন নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো: রাজিসুল ইসলাম ধর্ষিতার জবানবন্দি শেষে মামলাটি আমলে নেন। বিজ্ঞ বিচারক ময়মনসিংহের পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য আদেশ দিয়েছেন। পুলিশ কনস্টেবলের বাড়ী গৌরীপুর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামে। সে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে কর্মরত রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, অভিযোগে বাদি বলেন, পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা হওয়ার কারণে পুলিশ সদস্য সাদ্দাম হোসেন দীর্ঘদিন যাবত ওই যুবতীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিয়ের প্রলোভন ওখু\’ন জখমের ভয় দেখিয়ে এক পর্যায়ে গত ২১ মে যুবতীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। গত ২ জুলাই আবারো ধর্ষণ করে। এরপর ওই যুবতী বারবার বিয়ের কথা বললেও সাদ্দাম হোসেন এড়িয়ে যায়। এক পর্যায়ে ওই যুবতী তার পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায় এবং আদালতে মামলা করেন

এ বিষয়ে বাদিনী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মতিউর রহমান ফয়সাল জানান, আসামি পুলিশ কনস্টেবল মো. সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বিজ্ঞ আদালত গ্রহণ করেন এবং বাদিনীর জবানবন্দী গ্রহণ করেন। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দামের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.