Breaking News

ইভ্যালির রাসেলকে আজ আদালতে হাজির করা হবে

প্রতারণার মাধ্যমে গ্রহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা মামলায় ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলকে এক দিনের রিমান্ড শেষে আজ আদালতে হাজির করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করা হবে। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে মঙ্গলবার ধানমন্ডি থানায় দায়ের হওয়া মামলায় রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাসেলের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আর তার স্ত্রীর রিমান্ড নামুঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

১৭ সেপ্টেম্বর গুলশান থানার মামলায় ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি মামলা হয়। আরিফ বাকের নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি হওয়ার পর বিকেলেই রাসেলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

ইভ্যালির রাসেল রিমান্ডে, স্ত্রী শামিমা কারাগারে

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেলকে এবার ধানমন্ডি থানার আরেক অর্থ আত্মসাৎ মামলায় একদিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত। তবে, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রী শামিমাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার পুলিশের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম হাসিবুল হক এই আদেশ দেন।

রাসেল ও শামীমার পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলেও বিচারক তাতে সাড়া দেননি। অন্যদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে দুজনেরই সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হলে বিচারক রাসেলকে একদিনের রিমান্ড এবং তার স্ত্রী শামিমাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এর আগে অর্থ আত্মসাতের আরেকটি মামলায় তাদের দুজনেরই ৩ দিনের রিমান্ড শেষে সিএমএম আদালাতে নেয় পুলিশ।

এদিকে, সকালে ইভ্যালিতে অর্ডার করা পণ্য ডেলিভারিসহ ৭ দফা দাবিতে আদালতের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন গ্রাহক ও মার্চেন্টরা।

গত শুক্রবার গুলশান থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর ওহিদুল ইসলাম আসামিদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। পরে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে আরিফ বাকের নামে একজন ভুক্তভোগী অর্থ আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে গুলশান থানায় এক মামলা করেন। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাসেলের মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসায় অভিযান পরিচালনা শেষে রাসেল-শামিমা দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাসেল ও শামীমা রিমান্ডে থাকা অবস্থায় ধানমণ্ডি থানায় তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন কামরুল ইসলাম চকদার নামের এক গ্রাহক। সেই মামলাতেই আজ রাসেলকে নতুন করে রিমান্ডে পাঠাল আদালত।

Check Also

জগন্নাথপুরে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের পৌর এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.