Breaking News

ঝা’ড়’ফুঁ’কের সময় নারীকে একাধিকবার ধ’র্ষ’ণ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে কালীর সাধক এক ভণ্ড ফকিরের কাছে ঝাড়ফুঁক করাতে এসে একাধিকবার ধ’র্ষ’ণে’র শিকার হয়ে এক নারী (৩৫) থানায় মামলা করেছেন।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত ফকির শ্রী পচু সরকারকে (৫৮) গ্রে’ফ’তার করেছে শ্রীনগর থানা পু’লি’শ। ফকির পচু সরকার শ্রীনগর উপজেলার পাটাভোগ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মৃত দীনেশ মুক্তারের ছেলে।

এক সন্তানের জননী ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ৪-৫ মাস আগে স্বামীর সংসারে ফিরে যাওয়ার জন্য তদ্বির করাতে পচু ফকিরের বাড়ি যাই। এ সময় ফকির পচু বলেন- আমার ওপর অসুর ভর করেছে।

তাই ঝাড়ফুঁক করতে হবে এবং ১০ হাজার টাকা দিতে হবে। তার কথামতো আমি টাকা পরিশোধ করি। এ সময় সে আস্তানা নামক একটি গোপন কক্ষে নিয়ে আমার দুর্বলতার সুযোগে ঝা’ড়’ফুঁ’কের অজুহাতে আমাকে ধ’র্ষ’ণ করে।

এরপর পচু বলে তোমাকে আরও কয়েকবার ঝাড়ফুঁক করাতে আমার কাছে আসতে হবে। যদি না আসো তা হলে স্বামীকে তো পাবেই না, উল্টো তোমার সঙ্গে আমি যা করেছি তা ভিডিও করা হয়েছে, এটা তোমার স্বামীর কাছে দিয়ে দেব।

এ কথা শোনার পর আমি ভয়ে পচুর কথামতো তার আস্তানায় গেলে সে আমাকে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধ’র্ষ’ণ করে।

এদিকে স্বামীকে না পেয়ে গত কয়েক দিন আগে পচুর আস্তানায় গেলে সে আমাকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। উপায় না পেয়ে থানায় মা’ম’লা দায়ের করি।

এ ব্যাপারে শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মো. কামরুজ্জামান বলেন, বাদীর অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে মা’ম’লা’টি রুজু করি। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রে’ফ’তার করে মুন্সীগঞ্জ কোর্টে প্রেরণ করেছি।

পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
ময়মনসিংহে মো. সাদ্দাম হোসেন নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো: রাজিসুল ইসলাম ধর্ষিতার জবানবন্দি শেষে মামলাটি আমলে নেন। বিজ্ঞ বিচারক ময়মনসিংহের পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য আদেশ দিয়েছেন। পুলিশ কনস্টেবলের বাড়ী গৌরীপুর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামে। সে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে কর্মরত রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, অভিযোগে বাদি বলেন, পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা হওয়ার কারণে পুলিশ সদস্য সাদ্দাম হোসেন দীর্ঘদিন যাবত ওই যুবতীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিয়ের প্রলোভন ওখু\’ন জখমের ভয় দেখিয়ে এক পর্যায়ে গত ২১ মে যুবতীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। গত ২ জুলাই আবারো ধর্ষণ করে। এরপর ওই যুবতী বারবার বিয়ের কথা বললেও সাদ্দাম হোসেন এড়িয়ে যায়। এক পর্যায়ে ওই যুবতী তার পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায় এবং আদালতে মামলা করেন

এ বিষয়ে বাদিনী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মতিউর রহমান ফয়সাল জানান, আসামি পুলিশ কনস্টেবল মো. সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বিজ্ঞ আদালত গ্রহণ করেন এবং বাদিনীর জবানবন্দী গ্রহণ করেন। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দামের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Check Also

কলেজ অধ্যক্ষকে নেতার চড় মারার মুহূর্ত ধরা পড়ল ক্যামেরায়

কলেজ অধ্যক্ষকে চড় মারছিলেন এক নেতা। একবার নয়, একাধিকবার। আর সেই মুহূর্তটি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.