Breaking News

এবার আমি প্রেম করতে রাজি, মা’রতে রাজি, ম’রতে রাজি নাঃ পরীমণি

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি মারতে রাজি, মরতে রাজি না। এমনটাই জানালেন মঙ্গলবার

সন্ধ্যায়। অভিনেত্রী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কিছু লাইন শেয়ার করেছেন। সেখানেই আছে এমন কথা।

পরীমনি লেখেন, ‘টেন এর পরে আমি তো আর গুনতে পারি না/ডাইনে বামে কে যে প্রেমিক চিনতে

পারি না/প্রেমের মরা সে তো নাকি জলে ডোবে না/আমি প্রেম করতে রাজি/মারতে রাজি/মরতে রাজি না।’

লাইনগুলো মূলত সংগীতশিল্পী তাপসের। লাইনগুলো লিখে পরীমনি লিখেছেন, ‘কপিরাইট তাপস দ্য বস’। পোস্টটি সংগীতশিল্পী তাপসও তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন।

সম্প্রতি পরীমনি তার বাসা পরিবর্তন করেছেন। অর্থাৎ নতুন ফ্ল্যাটে উঠেছেন অভিনেত্রী। ২০ সেপ্টেম্বর চারটি ছবি পোস্ট করে সে কথা জানিয়েছেন পরীমনি।

২০ সেপ্টেম্বর সকালে অভিনেত্রী ছবিগুলো পোস্ট করেন ‘মাই সুইট হোম’ নামের অ্যালবামে। ছবিতে ঘরের যে যে অংশ দেখা যাচ্ছে, সেগুলো সুন্দর করে গোছানো। পরীমনিকেও বেশ উচ্ছ্বসিত দেখাচ্ছিল সেই ছবিগুলোতে।

চারটি ছবি পোস্ট করে পরীমনি সেই ক্যাপশনে লেখেন, ‘যে জীবন যাপন করছ তাকে ভালোবাসো। যে জীবন ভালোবাসো সেই জীবন কাটাও।’

ইংরেজিতে লেখা, ‘love the life you live. live the life you love’। এই লাইনটি মূলত খ্যাতিমান জ্যামাইকান সংগীতশিল্পী বব মার্লের। পরীমনি অবশ্য ববের নাম উল্লেখ করেননি।

২৭ দিন কারাগারে থাকার পর গত ১ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান পরীমণি। ওই দিন তিনি যখন বনানীর বাসায় ফেরেন, তখনই দেখতে পান তাকে বাসা ছাড়ার নোটিশ দিয়ে রাখা হয়েছে। ওই আবাসনের অন্য বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই বাড়ির মালিক পরীকে বাসা ছাড়তে নির্দেশ দেন। সবকিছু বিবেচনা করে তিনিও নির্দেশ মেনে নেন। তবে কবে নাগাদ বাসা পরিবর্তন করবেন, সেটা এখনো ঠিক করেননি।

এর আগে গত ৪ আগস্ট পরীমণিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা চলমান রয়েছে। সেই মামলার অংশ হিসেবে কয়েক দিন আগে তিনি আদালতে হাজিরাও দিয়ে এসেছেন।

মামলা, কারাবাস, বিতর্ক সবকিছু ছাপিয়ে পুনরায় কাজেই মনোযোগী হচ্ছেন পরীমণি। ইতোমধ্যে অংশ নিয়েছেন ‘মুখোশ’ নামের একটি সিনেমার ডাবিংয়ে। সম্প্রতি যুক্ত হয়েছেন গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘গুনীন’ সিনেমায়। এছাড়া ‘প্রীতিলতা’ ও ‘বায়োপিক’ সিনেমাগুলোর শুটিংও শিগগিরই শুরু করবেন।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.