Breaking News

নওগাঁয় ট্রাক-পিকআপভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২

নওগাঁর মান্দায় পিকআপভ্যান ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

মান্দা থানার ওসি শাহিনুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে উপজেলার নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের সাবাইহাট সংলগ্ন শ্রীরামপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- রাজশাহীর শাহমুখদুম থানার আব্দুস সালামের ছেলে পিকআপভ্যান চালক শামীম আহমেদ (২৪) ও জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার সাবইল গ্রামের তায়েজ উদ্দিনের ছেলে মোটরসাইকেল আরোহী সানারুল ইসলাম (২৮)।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি বলেন, রাজশাহী থেকে একটি পিকআপভ্যান মালটা নিয়ে জয়পুরহাট জেলায় যাচ্ছিল। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপভ্যানটি উল্টে সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
“এ সময় পিকআপব্যানের চালক ও মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়।”

ওসি বলেন, লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যর মামলা দয়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ছদ্মবেশে ভয়ংকর পাচারকারী

পিরোজপুরের জিয়ানগরের কিশোরী রিয়া (প্রকৃত নাম নয়) অভাবের তাড়নায় ঢাকায় আসে বছর তিনেক আগে। একটি পোশাক কারখানায় কাজ নেয়। থাকত যাত্রাবাড়ীর উত্তর কাজলায়। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে পরিচয় হয় জেসমিন আক্তার নামের এক নারীর সঙ্গে। জেসমিন তাকে উন্নত জীবনযাপনের টোপ দেন। ভারতের মুম্বাইয়ে পার্লারে কাজ দেওয়ার কথা বললে সহজেই রাজি হয়ে যায় রিয়া। ওই বছরের ২৭ অক্টোবর জেসমিনের হাত ধরে রিয়া পা বাড়ায় ‘উন্নত জীবনের’ খোঁজে; অবশ্য তা থেমে যায় সীমান্তেই। বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া নারীদের ভারতে নিয়ে বাধ্য করা হয় দেহব্যবসায়। এদিক দিয়ে রিয়ার ভাগ্য ভালো! অবৈধ উপায়ে ভারতে প্রবেশকালে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে দুজন। জেসমিনের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের মামলা করে ভারতীয় পুলিশ। রিয়ার ঠাঁই হয় কলকাতার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে। প্রত্যাবাসনপ্রক্রিয়া শেষ করে গত সোমবার রিয়াকে দেশে ফেরত আনা হয়। প্রত্যাবাসনের এই যাত্রায় রিয়ার সঙ্গী ছিল আরো ৩৬ জন, যারা বিভিন্ন সময় পাচারের শিকার।

অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, মানব পাচারকারী চক্র গ্রামে-গঞ্জে এমনভাবে ওত পেতে রয়েছে, তাদের ঠেকাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। অভিযান চললেও মানবপাচার ঠেকানো যাচ্ছে না। চক্রের হাজার হাজার সদস্য ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওদের মন-গলানো কথায় কাবু হয়ে যায় সরলমনা তরুণ-তরুণীরা। উন্নত জীবনের টোপ দিয়ে তাদের মূলত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ করে পাচারের পর মেয়েদের বিক্রি করা হয়। আর ছেলেদের বন্দি রেখে পরিবারে দেওয়া হয় মুক্তিপণের বার্তা।

Check Also

চলন্ত বাসে এসি বিস্ফোরণে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন আরোহীরা

মধ্যরাতে চলন্ত বাসের এসি থেকে হঠাৎ ধোঁয়া উঠতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো বাস ধোঁয়ায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.