স্ত্রী প্রতিদিন গোসল করেন না, তাই ডিভোর্স চাইলেন স্বামী!

চিত্র বিচিত্র ডেস্ক: তুচ্ছ কারণেও আজকাল বিয়ে ভেঙে যায়। তবে এই ব্যক্তি যে কারণে বিচ্ছেন চাইলেন, তা শুনে অনেকেই অবাক হতে পারেন। ওই ব্যক্তির অভিযোগ, তার স্ত্রী প্রতিদিন গোসল করেন না। এজন্য বিচ্ছেদ চেয়েছেন তিনি।

বিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য তার স্ত্রী নারী সুরক্ষা সেলে অভিযোগ করেন। এরপরই ভারতের উত্তর প্রদেশের ওই ঘটনা সামনে আসে বলে শুক্রবার একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নারী সুরক্ষা সেলের একজন কাউন্সিলর জানান, ওই নারী আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেছেন, তিনি প্রতিদিন গোসল করেন না। এজন্য তার স্বামী তাকে তিন তালাক দিয়েছেন। তাদের বিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য আমরা ওই দম্পতি ও তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা আলোচনা করেছি। ওই কাউন্সিলর আরও জানান,

মেয়েটি তার বিয়ে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছেন। তবে কাউন্সেলিং চলাকালে মেয়েটির স্বামী বারবার বিয়ে ভেঙে দিতে চেয়েছেন। তিনি বিচ্ছেদ পেতে আমাদের সাহায্যও চেয়েছেন। ওই ব্যক্তি নারী সুরক্ষা সেলকে জানিয়েছেন, গোসল করতে বলায় প্রতিদিনই স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হতো।

তবে বিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য ওই ব্যক্তিকে নারী সুরক্ষা সেলের কাউন্সিলর বুঝিয়েছেন, যে সমস্যার সমাধান খুব সহজেই করা যায়, সেই সমস্যার কারণে বিয়ে ভেঙে দেওয়া ঠিক হবে না। এছাড়া বিয়ে ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি তাদের সন্তানের ওপরও প্রভাব ফেলবে বলে ওই ব্যক্তিকে বুঝিয়েছে নারী অধিকার সুরক্ষা সেল।

বিচ্ছেদের বিষয়টি ফের ভেবে দেখার জন্য ওই দম্পতিকে সময় দিয়েছে নারী সুরক্ষা সেল

স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে মানতে না পেরে গৃহবধূর আ’ত্ম’হ’ত্যা

প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ে করেন স্বামী। বিষয়টি জানার পর স্বামী ও প্রথম স্ত্রীর মধ্যে শুরু হয় রাগারাগি। একপর্যায়ে স্বামীর সঙ্গে রাগ করে বাবার বাড়িতে চলে যান প্রথম স্ত্রী। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাবার বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আ’ত্ম’হ’ত্যা করেছেন প্রথম স্ত্রী হালিমা আক্তার (২৫)। নেত্রকোনার জঙ্গলটেঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত হালিমা আক্তার একই উপজেলার চাঁনগাও শাহপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের টিপু মিয়ার প্রথম স্ত্রী।

স্থানীয় ও পু’লি’শ সূত্রে জানা যায়, ছয় বছর আগে টিপু মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। টিপু মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে হালিমা আক্তার স্বামীর সঙ্গে রাগ করে গত বৃহস্পতিবার বাবার বাড়ি চলে যান। হালিমা আক্তার তার ছেলেকে নিতে চাইলে টিপু মিয়া ও তার পরিবার জোর করে রেখে দেন। পরদিন শুক্রবার বাবার বাড়িতে ফাঁস দিয়ে আ’ত্ম’হ’ত্যা করেন হালিমা।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গৃহ’বধূর আ’ত্ম’হ’ত্যা’র খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পু’লি’শ প্রেরণ করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.