Breaking News

নানার লালসার শিকার হয়ে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী নাতনি

ঢাকার ধামরাইয়ে বৃদ্ধ নানার বিরুদ্ধে থানায় ধ’র্ষ’ণ মা’ম’লা দায়ের করেছেন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নাতনি। নানার লালসার শিকার হয়ে ওই তরুণী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন।

উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের দ্বিমুখা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ডাক্তারি পরীক্ষা ও ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য হাসপাতাল ও আদালতে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দ্বিমুখা পূর্বপাড়ার মৃ’ত চাঁনমিয়ার ছেলে ছুফুরদ্দিন একই গ্রামের তার মেয়ের ঘরের বাকপ্রতিবন্ধী নাতনিকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধ’র্ষ’ণ করে। এতে ওই বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

দেহের পরিবর্তন দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে ওই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীকে হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ধরা পড়ে। এরপর বাড়ি ফিরেই এ ব্যাপারে স্থানীয় মাতবরদের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন পরিবারের সদস্যরা।

এ নিয়ে বুধবার রাতে গ্রাম্য সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এরপরই অভিযুক্ত ও তার লোকজন ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ঘটনা মীমাংসা করার জন্য চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগী পরিবার এ মীমাংসা না মেনে শুক্রবার রাতে ধামরাই থানায় অভিযুক্তকে সহায়তাকারী এক নারীর বিরুদ্ধে মা’ম’লা করেন। পুলিশ সহায়তাকারী নারীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ তাকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণী জানান, তার নানা তাকে বাড়িতে ডেকে বারবার জড়িয়ে ধরে কী যেন করত- এখন তার পেটে বাচ্চা। তিনি ব্যথা পান উল্লেখ করে বলেন, আমি খাইবার পালিনা (পারি না), আমাল (আমার) বমি আহে (আসে)।

আরো পড়ুনঃ বাসর রাতেই যুবকের আ’ত্ম’হ’ত্যা

ঞ্চগড়ে বাসর রাতেই অভিমান করে আ’ত্ম’হ’ত্যা করেছেন বাবুল হোসেন (২০) নামে যুবক। তার বাড়ি জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের চরতিস্তাপাড়া গ্রামে। সে ওই গ্রামের সফিজুল ইসলামের ছেলে। আজ শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে দেবীগঞ্জের চরতিস্তাপাড়া গ্রামে এই আ’ত্ম’হ’ত্যা’র ঘটনাটি ঘটে।

সকাল নয়টায় ওই যুবকের লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃস্টি হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান গতকাল রাতে বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের দিনবাজার এলাকার সবারউদ্দিনের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সাথে বিবাহ সম্পন্ন হয় বাবুল হোসেনের।

পাত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের সাথে তার প্রতিবেশি দাদী ও ছোট ভাই বোন কে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে আসে সাবিনা ইয়াসমিন। একদিকে বাবুল হোসেনের বাড়িতে দুটি শোয়ার ঘর অপরদিকে বাড়িভর্তি বিয়ের মেহমান। পরে তাদের বাসর রাতে তারা কোন ঘরে অবস্থান করবে এ নিয়ে পরিবারের লোকজনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।

পাত্র বাবুল হোসেনের দাদী নানী অন্যান্য মুরুব্বিরা বলে আজ রাতটি মেহমানদের সাথে ঘুমাতে হবে। পরে রাতেই বাবুল হোসেন তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, প্রতিবেশি দাদী, সামসুন্নাহার দুই ছোট বাচ্চা এবং বাবুল হোসেনের দুলাভাই হোসেল আলী সহ ঘুমিয়ে যায়।

এদিকে শনিবার ভোর রাতে বাবুলের পরিবারের লোকজন ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে দেখতে পায় বাবুল হোসেন ঝুলে আছে। পরে রান্নাঘরে প্রবেশ করেই বাবুল ঘরের সড়ের/আরা সাথে রশ্মি লাগিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখা যায়।দেবীগঞ্জ থানার ওসি জামাল হোসেন জানায় ঘটনার খবর পেয়ে চরতিস্তাপাড়ায় গিয়ে মৃ’ত’দেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে মৃ’ত’দেহ পাঠানো হয়েছে। একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তবে বিষয়টি সন্দেহজনক কারন ফাঁস টানা হলেও মৃ’ত’দেহের পা মাটিতে স্পর্শ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আ’ত্ম’হ’ত্যা না হত্যা তদন্ত করা হচ্ছে।

Check Also

কলেজ অধ্যক্ষকে নেতার চড় মারার মুহূর্ত ধরা পড়ল ক্যামেরায়

কলেজ অধ্যক্ষকে চড় মারছিলেন এক নেতা। একবার নয়, একাধিকবার। আর সেই মুহূর্তটি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.