Breaking News

কাশেমপুর কারাগারে বিয়ে

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি এক হাজতির সঙ্গে মামলার বাদীর (নারীর) বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাইকোর্টের আদেশে বৃহস্পতিবার দুপুরে কারাগারের ভেতর এ বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

হাজতি ওই বরের নাম কেএম আক্কাস (৪৫)। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার পূর্ব খাটিয়া এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার বাদী নারীর (৩৫) সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার দেলোয়ার পারভেজ জানান, কারাগারে বন্দি হাজতি কেএম আক্কাসের সঙ্গে ওই মামলার বাদী নারীর সঙ্গে কারাগারে অফিস কক্ষে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে পল্টন থানার মামলায় আটক রয়েছে কেএম আক্কাস। এ কারাগারে তার হাজতি। তিনি চলতি বছরের প্রথম থেকে এ কারাগারে বন্দি রয়েছেন। কারাগারে উভয়পক্ষের উপস্থিতি ও সম্মতিতে মামলার আসামি ও বাদীর বিয়ে হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ কবর থেকে কঙ্কাল চুরি করে তান্ত্রিকের কাছে বিক্রি করতেন তিনি

কবর থেকে লাশ চুরি করে এক তান্ত্রিক করিবারের কাছে বিক্রি করতেন হান্নান মিয়া নামে এক ব্যক্তি। কবিরাজের কথায় রাতের আধাঁরে এ কাজ করতেন তিনি। এক সেট কঙ্কাল তিন হাজার টাকায় তিনি বিক্রি করতেন। আর বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির কঙ্কালের মূল্য ধরা হতো ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা।

এভাবে কবরস্থান থেকে মানুষের বেশ কিছু কঙ্কাল চুরি করেছেন ২৩ বছর বয়সী ওই যুবক। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। গত মঙ্গলবার দিনগত রাতে কবর খুঁড়ে মানুষের কঙ্কাল চুরির সময় রাজধানীর পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় কালশী কবরস্থান থেকে তাকে গ্রেফতার করে পল্লবী থানার পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে মানুষের তিনটি মাথার খুলি, ৮টি পায়ের হাড়, ১৩টি হাতের হাড় ও ৬টি মাজার হাড় জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. পারভেজ ইসলাম জানান, হান্নানের গ্রামের বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ি। তিনি পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনের বালুরমাঠ এলাকায় কামালের ঘরে থাকতেন। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কঙ্কাল চুরির সময় পল্লবীর কালশী কবরস্থানের বাউন্ডারির ভেতর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ওসি আরও জানান, নতুন কবর তৈরির জন্য সাধারণত চার-পাঁচ বছরের পুরোনো কবরের উপরে মাটি ফেলা হয়। মাটি ফেলার সময় পুরোনো কিছু কবর থেকে মানুষের হাড় বেরিয়ে আসে। পরে সেগুলো সংগ্রহ করে এক জায়গায় রাখে আবার মাটি দেওয়ার জন্য। সেই জায়গার মাটি খুঁড়ে হান্নান এখন পর্যন্ত দুইবার কঙ্কাল চুরি করেছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, এক কবিরাজ তার কাছ থেকে চুরি করা কঙ্কালগুলো কিনে নিতেন ৩ হাজার টাকায়। ওই কবিরাজের কথায় তিনি কবরস্থান থেকে মানুষের কঙ্কাল চুরি করতে নামেন। এখন পর্যন্ত তিনি ওই কবিরাজের কাছে এক চালান কঙ্কাল বিক্রি করেছেন। দ্বিতীয়বার চুরি করার সময় স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যান তিনি।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.