বান্ধবীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে সং’ঘ’ব’দ্ধ’ ‘ধ’র্ষ’ণে’র’ শিকার মাদরাসাছাত্রী!

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দশম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের পর তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ এনে চারজনের নামে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী ১৫ জুলাই তার এক বান্ধবীর সঙ্গে বেড়াতে যায়। সেখানে সেই বান্ধবী চার যুবকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে বান্ধবী সটকে পড়লে ওই চার যুবক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

৩ অক্টোবর তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ধর্ষণের ভিডিও প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে মেয়েটি এ ঘটনা পরিবারকে জানালে তার মা বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মাহমুদাবাদ চৌধুরীপাড়ার জালাল আহমদের ছেলে মো. খোকন (২৮), দেলোয়ারের ছেলে ইব্রাহিম (৪০), সাগর (২৩) ও নতুন পাড়া গ্রামের মুন্না (২০)।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।

৮ মাস আগে এসেছিল প্রেমের টানে, এবার ফিরল দেশে

প্রেমের টানে আট মাস আগে সীমান্তের অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসা কিশোরীকে (১৪) উদ্ধারের পর ভারতে ফেরত পাঠিয়েছে পুলিশ। বুধবার (০৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ওই কিশোরীকে ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্টে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের কর্মকর্তারা। এর আগে কিশোরীকে উদ্ধার করে সিআইডি পুলিশ। উদ্ধার কিশোরী শাহানা ইয়াসমিন মিন ভারতের মালদাহ জেলার চাতলা থানার হাজাতপুর গ্রামের মোজাম্মেল হকের মেয়ে।

মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়ার প্রোগাম অফিসার মুহিত হোসেন জানান, কক্সবাজারের উখিয়ার আনসারী কামাল নামে একটি ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে আট মাস আসে সীমান্তের অবৈধ পথে পালিয়ে বাংলাদেশে আসে ওই কিশোরী। মেয়ে পালিয়ে আসায় কিশোরীর বাবা তাকে উদ্ধারে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে আবেদন করেন। বিষয়টি আমলে নেয় অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডি। পরে কিশোরীকে প্রেমিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে কক্সবাজারের ‘লাইট হাউজ’ নামের একটি এনজিও সংস্থার শেল্টার হোমে রাখে। সেখান থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে মেয়েকে বাবার হাতে হস্তান্তর করা হয়।

হস্তান্তর করার সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন খান, ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজু আহম্মেদ, বিজিবির সুবেদার আরশাফ হোসেন।

Check Also

নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক, বাগানে তু’লে নিয়ে গৃহ’বধূ’কে গণ’ধ’র্ষণ

ভোলার মনপুরা উপজেলায় নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক দিয়ে ঘরের দরজা খুলে হাত-পা ও মুখ বেঁধে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!