দেবরের কৌশলে নির্জন বনে নিয়ে নববধূকে সং’ঘ’ব’দ্ধ ‘ধ’র্ষ’ণ’!

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বাবার বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে চাচাতো দেবরের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (০৭ অক্টোবর) সকালে গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পরে মামলার প্রধান অভিযুক্ত চাচাতো দেবরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চাচাতো দেবর ছলেমান ব্যাপারী (২২), বাপ্পি প্যাদা (২৪), আরিফ খান (২৩)। তাদেরকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, ওই নারীর তিন মাস আগে গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস গ্রামে বিয়ে হয়। শ্বশুরবাড়ি থেকে চাচতো দেবর ছলেমান ব্যাপারী বাবার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সঙ্গে নিয়ে বের হয়।

এরপর দেবরের পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচিত ট্রলারে করে তাকে নির্জন বনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ছলেমানসহ তার বন্ধুরা ধর্ষণ করে।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের গলাচিপা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরো পড়ুনঃ১ ঘণ্টার নবজাতক রেখে প্রেমিকের সঙ্গে মা উধাও! থামছে না কান্না

নবজাতককে হাসপাতালে ফেলে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন নিঝুম (২০) নামে এক তরুণী। যশোর জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। গত ৫ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটলেও আজ বহস্পতিবার বিষয়টি জানাজনি হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৪ অক্টোবর রাতে শাহিনের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী নিঝুম (২০) হাসপাতালে ভর্তি হন (হাসপাতালে ভর্তি রেজি. নাম্বার ৯৪১৬১৪/০৪)। পরদিন দুপুর ১টার সময় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি ছেলেশিশু জন্ম হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর থেকে শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে নিখোঁজ হন মা। শিশুটি দুই দিন হাসপাতালের সেবিকাদের তত্ত্বাবধানে ছিল। এ অবস্থায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার স্বজনদের সন্ধান করতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশের সহযোগিতায় শিশুটির নানা-নানির সন্ধান পাওয়া যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ বুধবার (৬ অক্টোবর) শিশুটিকে নানা-নানির হাতে তুলে দেয়।

এ ব্যাপারে জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহম্মেদ সাংবাদিকদের বলেন, শিশুটিকে পুলিশের মধ্যস্থতায় তার নানা শাহ আলম, নানি আসমা খাতুন এবং বাবা শাহিনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শিশুটির নানা শাহ আলম বলেন, ‘গত বছরের মার্চে মেয়েকে মাগুরার শ্রীপুরের শাহিনের সঙ্গে বিয়ে দিই। বিয়ের পর নিঝুম স্বামী শাহিনের সঙ্গে ঢাকায় থাকত। কিছুদিন আগে নিঝুম অন্তঃসত্ত্বা হলে মাগুরায় আসে। কিন্তু মেয়ের সঙ্গে কিভাবে যেন পরিচয় হয় ভোলা জেলা সদরের খয়েরতলা এলাকার ইব্রাহিম নামে এক যুবকের। এই ইব্রাহিম ফুসলিয়ে কৌশলে নিঝুমকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। নিঝুমের সন্তান জন্ম নেওয়ার পর ইব্রাহিম তাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ ও আমরা এখন ইব্রাহিম ও নিঝুমকে খুঁজছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘শিশুটি এখনো সুস্থ আছে। তবে তার কান্না থামছে না।’

Check Also

নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক, বাগানে তু’লে নিয়ে গৃহ’বধূ’কে গণ’ধ’র্ষণ

ভোলার মনপুরা উপজেলায় নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক দিয়ে ঘরের দরজা খুলে হাত-পা ও মুখ বেঁধে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!