যে কারণে আর কাউকে বিয়ে করেননি শ্রীলেখা, এতদিনে সত্যিটা জানা গেলো

পাওয়া না পাওয়ার হিসেবে প্রেমের ব্যাখ্যা হয় না। অতীতের আভিজাত্যে তা পূর্ণতা পায়। সকালের শিশিরের মতো চলে যাওয়ার পরও সারাদিনের ভালোলাগা ছড়িয়ে দেয় মনের প্রতিটা কোণে।

এভাবেই নিজের প্রেমকে উদযাপন করলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন নিজের বিয়ের মুহূর্ত।১৭ বছর আগে আজকের দিনেই শিলাদিত্য সান্যালকে বিয়ে করেছিলেন শ্রীলেখা।

সেই ছবি শেয়ার করেছেন ফেসবুকে। ক্যাপশনে লিখেছেন, আজ হতে পারত আমাদের ১৭তম বিবাহবার্ষিকী।আমার প্রাক্তন হ্যান্ডসম না? তাইতো আর সেভাবে কাউকে মনে ধরল না!

পরে আবার বিধিসম্মত সতর্ক বার্তাও দিয়েছেন অভিনেত্রী। লিখেছেন, দুঃখের ইমোজি আর হ্যাপি অ্যানিভার্সারি বললে তৎক্ষণাৎ আনফ্রেন্ড করা হবে।

অভিনেত্রীর সতর্কবার্তার পর তা অবশ্য কেউ বলেননি। তবে ভালবাসার স্মৃতিকথায় ভরিয়ে দিয়েছেন কমেন্টবক্স। কেউ কেউ আবার লিখেছেন, এমন পোস্ট শুধুমাত্র শ্রীলেখার পক্ষেই সম্ভব।

নিজের ভালবাসার সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানান, শিলাদিত্য এবং তার মেয়ের জন্মই তাদের কাছে সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। সেই সময়টা ছিল ম্যাজিকের মতো। নিজেকে ঈশ্বরের মতো মনে হয়েছিল তার।

অভিনেত্রীর মতে, ভালবাসাকে নির্দিষ্ট শব্দে ব্যাখ্যা করা যায় না। দু’জন মানুষ সারা জীবন এক ছাদের তলায় নাই থাকতে পারেন। কিন্তু বন্ধুত্ব থেকে যায়।বিচ্ছেদ মানেই তো আর তিক্ততা নয়! ভালোবেসেই ১৭ বছর আগে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন। তার মেয়ের বাবা শিলাদিত্য। ভাল মুহূর্ত গুলোকে ভালোবেসেই মনে রাখা যায়। অতীতের ছোঁয়ার জীবন আরও সুন্দর হয়ে ওঠে। জীবন হয়ে ওঠে পরিণত। পরিণত এই সম্পর্কের কথাই যেন নিজের পোস্টের মাধ্যমে নতুন করে মনে করিয়ে দিলেন অভিনেত্রী।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.