Breaking News

হবু বৌমার জন্মদিনে ছবি পোস্ট করে যা লিখলেন শ্রাবন্তী

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী প্রথম বিয়েটা করেছিলেন ২০০৩ সালে, চিত্রনির্মাতা রাজীব বিশ্বাসকে। তাদের ঘরের ছেলে অভিমন্যু। কিন্তু শ্রাবন্তীর সেই বিয়ে টেকেনি। ছেলেকে নিয়ে আলাদা হয়ে যান তিনি। ২০১৬ সালে বিচ্ছেদ হয়।

নিজের সম্পর্ক, বিয়ে, বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ না খুললেও, ছেলে অভিমন্যুর প্রেম ও প্রেমিকা নিয়ে কখনই ঢাকাচাপা করতে দেখা যায় না শ্রাবন্তীকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেলের প্রেমিকা দামিনীর সঙ্গে ছবিও দেন।

একসঙ্গে কাশ্মীর, মালদ্বীপ ঘুরতেও যান। তবে ছেলের প্রেমিকা নিয়ে শ্রাবন্তীর এই আদিখ্য়েতাকে খুব একটা ভাল চোখে দেখেন না নেটিজেনরা। ছেলের প্রেমিকার সঙ্গে শ্রাবন্তী ছবি শেয়ার করলেই, শুরু হয়ে যায় ট্রোল।

ছেলে অভিমন্যুর প্রেমিকা দামিনীর জন্মদিনের সেলিব্রেশনে জমিয়ে পার্টি করলেন শ্রাবন্তী। দামিনীকে পাশে নিয়ে সেলফিও তুললেন তিনি। সেই ছবিই পোস্ট করে শ্রাবন্তীর দামিনীর উদ্দেশে লিখলেন, ‘হ্যাপি বার্থডে বিউটিফুল।’

শুধু তাই নয়, ছেলে ও দামিনীকে সঙ্গে নিয়েও ছবি তুললেন অভিনেত্রী। শোনা গিয়েছে, দামিনীকে দামী ক্য়ামেরা নাকি গিফট করেছেন শ্রাবন্তী। ব্যক্তিগত জীবনে ঝড় উঠলেও, ছেলের প্রেমের সম্পর্কে তার আঁচ পড়তে দেননি শ্রাবন্তী।

চলতি বছরের প্রথম দিকেই শ্রাবন্তীর ছেলে অভিমন্যু দামিনীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে নিজের প্রেমের কথা স্বীকার করেছিলেন। ছবির ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘আপনি যাকে ফোন করেছেন তিনি এখন প্রেমে রয়েছেন’।

শ্রাবন্তীর সবসময়ই সম্পর্ক, প্রেম, দাম্পত্য নিয়ে টলিপাড়া এবং তার অনুগামীদের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই। স্টার কিড অভিমন্যুকে নিয়ে যথেষ্ট মাথাব্যথা রয়েছে সকলের। তাই শ্রাবন্তীর এই পোস্ট ভাইরাল হতে বিশেষ সময় লাগেনি।

তবে দামিনীকে শুভেচ্ছার পাশাপাশি নেটদুনিয়ায় বাঁকা মন্তব্যের মুখোমুখিও হতে হচ্ছে তাঁদের। অনেকেই বলছেন, শ্রাবন্তীর ছেলে অভিমন্যুর সম্পর্কও টিকবে না বেশিদিন। কারণ, লোক দেখানো সম্পর্কেই নাকি বিশ্বাসী অভিমন্যু।

তবে এসবকে পাত্তা দেন না শ্রাবন্তী ও অভিমন্যু। নিজের ছেলে ও তাঁর হবু বৌমাকে নিয়ে যে দিব্য আছেন তিনি, তার প্রমাণ বার বার শ্রাবন্তীর সোশ্যাল মিডিয়ায় করা নানা পোস্ট।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.