কোটিপতি স্বামীকে ছেড়ে ১৩ বছরের ছোট অটোচালকের সাথে পালালেন স্ত্রী

কোটিপতির স্ত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এক অটোচালকের সাথে। বয়সে সে ১৩ বছরের ছোট। অবশেষে সেই সম্পর্ককে পরিণতি দিতে বাড়ি থেকে পালালেন প্রেমিকের অটোরিকশায় করে। সাথে নিলেন মোটা অঙ্কের অর্থ।

সম্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের খাজরানায় ঘটেছে এই ঘটনা। জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী একজন ব্যবসায়ী। এর জেরে তার কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তিও রয়েছে। খবর ডিএনএ ইন্ডিয়ার।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই ব্যক্তির স্ত্রী। ওইদিন রাতে স্ত্রী বাড়ি না ফেরায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

সেই অভিযোগে তিনি জানিয়েছিলেন, তার স্ত্রী ফেরেনি এবং বাড়ি থেকে ৪৭ লাখ রুপি গায়েব হয়ে গেছে। স্বামীর অভিযোগ, এক অটোচালকের সাথে পালিয়েছেন তার স্ত্রী।

জানা গেছে, ওই অটোচালকের নাম ইমরান। তিনি ওই নারীর থেকে প্রায় ১৩ বছরের ছোট। ইমরান ওই নারীকে প্রায়শই বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে যেতেন। সেখান থেকেই সম্পর্কের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই ধনী ব্যক্তির অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। তারপর ইমরানের এক বন্ধুর বাড়ি থেকে ৩৩ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও ইমরান এবং ওই নারীর খোঁজ এখনো পায়নি পুলিশ।

তাদের খোঁজে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মোবাইলের লোকেশন দেখে তাদের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন পুলিশকর্মীরা।

নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক, বাগানে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক দিয়ে ঘরের দরজা খুলে হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাগানে নিয়ে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় মামলা করেন।
এর আগে রোববার রাত ১২টায় উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামে ওই গৃহবধূর বসতঘরের পাশের বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিনকে (৩৫) আটক করে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর চার আসামিকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

আসামিরা হলো— মো. শিপন উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাইয়ুম হাওলাদারের ছেলে, মো. বেল্লাল মেকার, মো. হেলাল, মো. ইউসুফ দালাল ও মো. সেলিম মেকার। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে নির্যাতিত ওই গৃহবধূ উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডে নিজ বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ১১টার দিকে নারী কণ্ঠে ওই গৃহবধূর নাম ধরে একাধিকবার ডাক দেয়।

পরে ঘরের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিন, মো. বেল্লাল মেকার, মো. হেলাল, মো. ইউসুফ দালাল, মো. সেলিম মেকার ওই গৃহবধূর হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে যায়।

পরে রাত ১টায় স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার বিকালে চিকিৎসাধীন ওই গৃহবধূর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা জেলা হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করা হয়।

তবে ঘটনার দিন ওই গৃহবধূর স্বামী সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ায় বাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনা শুনে সোমবার স্বামী বাড়িতে ফিরলে ওই গৃহবধূ রাতে বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

পরে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিনকে আটক করে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার আসামি পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে মনপুরা থানার ওসি সাঈদ আহমেদ জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। প্রধান আসামিকে আটক করা হয়েছে। অপর চার আসামিকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Check Also

কলেজ অধ্যক্ষকে নেতার চড় মারার মুহূর্ত ধরা পড়ল ক্যামেরায়

কলেজ অধ্যক্ষকে চড় মারছিলেন এক নেতা। একবার নয়, একাধিকবার। আর সেই মুহূর্তটি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.