Breaking News

প্রয়োজনে পো’ষাক খু’লতেও রাজি : প্রিয়াংকা চোপড়া

বেওয়াচ’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে হলিউডে অভিষেক হয় বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার। তবে তার আগেই ‘কোয়ান্টিকো’ সিরিজের মাধ্যমে হলিউডে একটি পরিচিতি পান এ অভিনেত্রী। এদিকে এরই মধ্যে ‘বেওয়াচ’ ছবিটি ভালো ব্যবসায়িক সফলতাও পেয়েছে। এ ছবিতে ভিক্টোরিয়া লিডস

শীর্ষক চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে প্রশংসিত হয়েছেন প্রিয়াংকা। ব্যাপক খোলামেলা হয়েও এ ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। বেশ কয়েকটি দৃশ্যে বিকিনি পরে বেশ সাবলীলভাবে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। কদিন আগেই প্রিয়াংকা বলেছিলেন, বিকিনি পরে সাগর পাড়ে অভিনয় করার সময় বেশ লজ্জা লাগছিল তার। কিন্তু অভিনয়ের জন্য সেটি করে গেছেন তিনি।

তবে এবার সুর বদলালেন তিনি। অভিনয়ের জন্য পোষাক খুলে হয়ে ক্যামেরাবন্দি হতেও আপত্তি নেই তার। সম্প্রতি হলিউডভিত্তিক একটি পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে প্রিয়াংকা বলেন, অভিনয়ের জন্য সব করতে পারি আমি। কারণ আমার পেশাই এটা। অনেকেরই হয়তো চোখ বড় হয়েছে ‘বেওয়াচ’-এ আমার খোলামেলা রূপ দেখে। কিন্তু আমি বিষয়টি নিয়ে হ্যাপি।

সত্যি বলতে অভিনয়ের জন্য পোষাক খুলতেও হতেও আমার আপত্তি নেই। যদিও অযথাই পোষাক খোলাটা হওয়াটা আমার পছন্দ নয়। তবে চরিত্রের প্রয়োজনে এটা করাই যায়। এদিকে প্রিয়াংকার এমন বক্তব্য নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। বিশেষ করে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো ফলাও করে প্রচার করছে এ সংবাদটি। যার মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসলেন

‘মুসলিম’ সমীর হিন্দু সেজে এনসিবির চাকরি নেন, এই বিয়ের ছবি প্রমাণ!

সমীর ওয়াংখেড়ের বিয়ের ছবি একটি ছবি সামনে এসেছে। প্রকাশ করেছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের উন্নয়নমন্ত্রী নবাব মালিক। যিনি মাদক মামলায় আরিয়ান খানের গ্রেপ্তারের পর থেকে জাতীয় মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনসিবি কর্তা সমীরের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনেই যাচ্ছেন। তবে এবার তার আক্রমণের লক্ষ্য সমীরের ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসের চাকরি এবং সেই চাকরি পাওয়ার জন্য তথ্যগত ‘দুর্নীতি’র আশ্রয় নেওয়া।

সমীরের বিয়ের ছবিটি বুধবার সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে টুইটারে প্রকাশ করেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) নেতা নবাব। বর্ণনায় কিছুটা ব্যঙ্গের সুরেই লেখেন, এক মিষ্টি দম্পতির ছবি।
সমীর দাউদ ওয়াংখেড়ে এবং চিকিৎসক শাবানা কুরেশি। এখনকার এনসিবি কর্তা সমীর ২০০৬ সালের ওই ছবিতে একজন অল্পবয়সী যুবক। বিয়ের দিন প্রথম স্ত্রী শাবানাকে নিয়ে ছবিটি তুলিয়েছিলেন তিনি। ওই ছবি এবং তার পরে সমীরের মুসলিম মতে বিয়ের সার্টিফিকেট বা নিকাহনামা প্রকাশ করে নবাব জানিয়েছেন, সমীরের ধর্ম নিয়ে তাঁর কোনো আপত্তি নেই।

তিনি শুধু চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে চান, সমীর একজন অসৎ ব্যক্তি। যিনি চাকরির প্রয়োজনে খাতা-কলমে নিজের ধর্ম কিংবা জাতি বদলে ফেলতেও দ্বিধাবোধ করেননি।

এর আগে সমীরের বিরুদ্ধে তদন্তে অনিয়ম, নির্দোষ ব্যক্তিকে অকারণে হেনস্তা করার মতো অভিযোগ এনেছেন নবাব। মঙ্গলবার সমীরের বিরুদ্ধে ২৬টি অনিয়মের বিবরণ দেওয়া একটি চিঠি টুইটারে প্রকাশ করেছিলেন। তার আগে সোমবার তিনি বলেছিলেন, মুসলিম হয়েও স্রেফ চাকরি পাওয়ার জন্য জাত-পাতের ভুয়া সার্টিফিকেট দাখিল করেছিলেন সমীর।

সেখানে নিজেকে প্রান্তিক হিন্দু বলে দাবি করেছিলেন। প্রান্তিক জাতির সংরক্ষণের সুবিধা নিয়েই ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগে চাকরি নিয়েছিলেন এনসিবি কর্তা। বুধবারের ছবিটি সেই দাবিরই প্রমাণ।

নবাব বলেছিলেন, এনসিবির রেকর্ডে সমীরের বাবার নাম জ্ঞানদেব ওয়াংখেড়ে লেখা থাকলেও আসলে তার নাম দাউদ। নবাবের দাবি অবশ্য তখন অস্বীকার করেছিলেন সমীরের বাবা।

বুধবার সকালে ছবিটি প্রকাশ করার পর অবশ্য তাদের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। বুধবার নবাব এ-ও বলেন, ২০০৬ সালের ৭ ডিসেম্বর সমীর এবং শাবানার বিয়েতে দ্বিতীয় সাক্ষী ছিলেন তাঁর বোন ইয়াসমিনের স্বামী আজিজ খান।

নবাবের অভিযোগের পাশাপাশি সমীরের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকার একটি ঘুষ কেলঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। মুম্বাইয়ের মাদক মামলার অন্যতম সাক্ষী প্রভাকর সইল একটি হলফনামা প্রকাশ করে সোমবার জানিয়েছিলেন, আরিয়ানকে রেহাই দেওয়ার জন্য শাহরুখ খানের ম্যানেজার এবং বেসরকারি গোয়েন্দা কিরণ গোসাভির মধ্যে কোনো চুক্তি হয়েছিল। যে বিষয়ে গোসাভির কথোপকথনে তিনি স্পষ্ট শুনেছিলেন সমীরের নাম।

মুম্বাইয়ের জোনাল অফিসার সমীর ওয়াংখেড়েকে আট কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলেছিলেন গোসাভি। প্রভাকর জানিয়েছিলেন, এই অভিযোগের প্রমাণও আছে তার কাছে। যা তিনি প্রকাশ্যে আনবেন গোসাভি আত্মসমর্পণ করার পরই। প্রভাকরের ওই অভিযোগের পরই সমীরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এনসিবি।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.