মাঠে গরম আর ঘরে ঢুকলেই শান্ত হয়ে যায় কোহলি : আনুশকা

মাঠে চরম আগ্রাসী ভারতের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কোহলি। প্রায়ই বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়, এমনকি আম্পায়ারের সঙ্গেও বিতণ্ডায় জড়ান। কিন্তু বরাবরের মতোই তার প্রশংসামুখর স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। স্ত্রীর দাবি, মাঠে আগ্রাসী হলেও অন্য সময়ে একেবারেই ‘শান্ত’ কোহলি।

ভারতের বিনোদন সংবাদমাধ্যম ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনুশকা শর্মা বললেন, আমার দেখা অন্যতম শান্ত মানুষ সে (কোহলি)। মাঠের বাইরে একদম ধীরস্থির। আপনারা আমার বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীদেরই না হয় জিজ্ঞেস করে দেখুন।

মাঠে ও অমন করে, কারণ খেলার প্রতি ওর তীব্র ভালোবাসা। বাস্তব জীবনে ও আগ্রাসী নয়। ওটা শুধুই মাঠের। আমার জানামতে সবচেয়ে শান্ত মানুষ ও। ওর দিকে তাকালেই মনে হয়, ‘ওয়াও! তুমি এত আমুদে!’

২০১৩ সালে একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করার সময় আনুশকার সঙ্গে কোহলির ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। ২০১৭ সালে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তারা।

আরও পড়ুন:
আমার ডান হাত সাহায্য করলে যেন বাঁ হাত না জানে : ফেরদৌস

সারাবিশ্বের সঙ্গে আমরাও ইতোমধ্যে বুঝে গেছি, ম’হা’মা’রির ভয়াব’হতা কতখানি। মানুষ যদি সচেতন না হয়, সাবধান না হয় তবে এই ভয়াবহতার হাত থেকে আমাদের রক্ষা নেই। তবে একটা জিনিস জেনে খুব ভালো লাগছে, আমাদের দেশে এর প্রকোপ কিছুটা হলেও কম। প্রথমে আমাদের কিছু ভুলভ্রান্তি ছিল। যারা প্রথমদিকে বিদেশ থেকে দেশে এসেছিল, তাদের সবাইকে আমরা হোম

কোয়ারেন্টিনের মধ্যে আনতে পারিনি। কিন্তু পরবর্তীকালে সরকার খুব তাড়াতাড়ি সবকিছু আয়ত্তের মধ্যে আনতে সক্ষম হয়েছে। সমাজের বিত্তবানরা নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এ ছাড়া অনেক শিল্পী, খেলোয়াড় সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে। সবকিছু মিলিয়ে চমৎকার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। যদি আমরা এই পরিবেশটা সামনের দিনগুলোতে, বিশেষ করে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ধরে রাখতে পারি তা হলে খুব তাড়াতাড়ি এই বিব্রতকর পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসতে পারব। সবাইকে আহ্বান করব, আর কয়েকটা দিন যেন কষ্ট করে ঘরের মধ্যে থাকে। আমি নিজেও ঘরে আছি। একটা ব্যাপারে আমি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, কাউকে সাহায্য করতে গিয়ে কোনোভাবেই যেন তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত না করি।

আমাদের শিল্পীদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অনেকে আছেন দিন আনে দিন খায়। এখন যেহেতু সব ছবির কাজ বন্ধ, তার মানে তাদের কাজ নেই। তারা এখন অর্থনৈতিক বিপদের মধ্যে আছেন।

এখন আমি যদি তাদের সাহায্য করে ফেসবুকের মাধ্যমে বা নিউজ করে সবাইকে জানাই, তবে সে মানুষটি অবশ্যই সবার কাছে ছোট হয়ে যাবে। তাই এই জিনিসটা সবার মাথায় রাখা উচিত। আমি কাউকে সাহায্য করব সেটা শুধু প্রচার করার জন্য, সেই রীতিতে আমি বিশ্বাসী নই। এটা কিন্তু কোনোভাবেই ঠিক নয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে একটা রীতিতে বিশ্বাস করি যে, আমার ডান হাত সাহায্য করলে যেন বাম হাত না জানে।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.