মূল্যছাড় অফার নিয়ে ক্ষোভ জানালেন লিটনের স্ত্রী

ম্যাচ-পরবর্তী খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা তুঙ্গে। সম্প্রতি খেলোয়াড়দের সাথে শামিল হয়েছিলেন সাকিব আল হাসানের স্ত্রী ও মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার ভাইও। এবার সেই প্রতিক্রিয়া দেয়ার মিছিলে যুক্ত হলো লিটন দাসের স্ত্রী সঞ্চিতা দাসের নাম।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ও ম্যাচের সময় অনেক ব্যবসায়ীই অফার দিয়েছিলেন, লিটন যত রান করবেন আজ, কাস্টমারদের তত পার্সেন্টই ছাড় দেবেন তারা। এ নিয়ে ব্যাপক চর্চা হয় সামাজিক মাধ্যমে, ভাইরাল হয় অনেক ‘মিম’। এসব নিয়েই চটেছেন সঞ্চিতা।

 

নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেয়া এক স্ট্যাটাসে সঞ্চিতা লেখেন, বিষয়টা হচ্ছে, কেউ ক্যাচ মিস করলে বা খারাপ খেললে সেটাই আসলে সবসময় সমস্যা না। কখনো কখনো কেবলমাত্র ব্যক্তি বিশেষ বা তার নামটিকেই সমস্যা বানিয়ে ফেলা হয়!

মানুষ লিটনদের নিয়ে মজা করলে বা মিম বানালে সেটি নিয়ে বিশেষ আপত্তি নেই জানিয়ে সঞ্চিতা বলেন, এসব আমাদের গা সওয়া হয়ে গেছে।

কিন্তু, যখন খেয়াল করি কিছু ব্যবসায়িক পেজ শুধুমাত্র তাদের ব্যবসার খাতিরে লিটনের নাম ব্যবহার করছে এবং তার খারাপ খেলার জন্য প্রার্থনা করছে, তখনই বাকরুদ্ধ হয়ে যাই।

মানে ভাবুন, আপনারা এতটাই খারাপ ও পচে যাওয়া মনের মানুষ যে, ব্যবসার কৌশল হিসেবে আপনারা চাইছেন একজন খেলোয়াড় খারাপ খেলুক! লজ্জা!!!

 

বরের সঙ্গে সেলফি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১১

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বরের সঙ্গে সেলফি তুলতে গিয়ে সংঘর্ষে কনের মাসহ উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাতে নোয়াখালীর হাতিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে আহম্মদ মিয়া বাজারের পাশে কনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এরমধ্যে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত কনের মা কুলসুমা বেগমের জ্ঞান ফেরেনি। আহতরা সবাই বর-কনের পারিবারিক আত্মীয়।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৩ মাস পূর্বে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কামাল উদ্দিনের ছেলে মো. মিলন ও কনে পৌরসভা ৭নং ওয়ার্ডের রাশেদ উদ্দিনের মেয়ে রাশেদা বেগম এর। বুধবার বরযাত্রী আসে কনের বাড়িতে।

বরের ভাই মিরাজ জানান, উভয় পক্ষের আন্তরিকতার মধ্যেই খাওয়া দাওয়া শেষ হয়। বিদায় নেওয়ার সময় বর কনেকে একই মঞ্চে আনা হয়। এ সময় বরের সাথে সেলফি তোলা নিয়ে নারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। পরে কনে পক্ষের কিছু উত্তেজিত লোকজন বর পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা করে।

এ ব্যাপারে হাতিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিদারুল ইসলাম খান বলেন, সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে লোকজন নিয়ে কনের বাড়িতে যাই। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Check Also

সিলেটে পানি কমছে, তবে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্গন্ধ

সিলেট নগর ও এর আশপাশের এলাকায় বন্যার পানি অনেকটাই কমেছে। তবে এখন রাস্তাঘাটে জমে থাকা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.