Breaking News

কাজ না দিয়ে খাবার খেতে দশ টাকা দিয়েছিলেন পরিচালক

মিঠুন চক্রবর্তী বরিশালে জন্মগ্রহণ করেছেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের জোড়াবাগান থেকে স্বপ্নের শহর মুম্বাইয়ের যাত্রাটা মসৃণ ছিল না তার। বলিউডে ক্যারিয়ার শুরুর দিনগুলোয় অনেক প্রযোজক-পরিচালকের দরজায় দরজায় সুযোগের জন্য ঘুরেছিলেন তিনি। সে সময় তিনি গিয়েছিলেন পরিচালক মনমোহন দেশায়ের কাছে। কিন্তু তিনি প্রত্যাখ্যান করে মিঠুনকে ১০ টাকা খাবার খেতে দিয়েছিলেন নির্মাতা। সম্প্রতি একটি অনষ্ঠানে এসে এমনটাই জানিয়েছেন মিঠুন।

মিঠুন বলেন, একটা সময় আমি পরিচালকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতাম কাজের জন্য। অনেকেই আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। একজনের কাছে কাজ চাইতে গেলে তিনি আমাকে কাজ না দিয়ে ১০ টাকা খাবার খেতে দিয়েছিলেন। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে নায়ক হওয়ার চেষ্টা না করে, যেন অন্য কিছু করি সেই পরামর্শ দেন মনমোহন দেশাই। কিন্তু পরবর্তীতে যখন তিনি আমাকে কাজের জন্য ডেকেছিলেন তার কাজ করে দিয়েছি। পুরানো কোনো কথা মনে করিনি।

আশির দশকে অমিতাভ রাজনীতির মঞ্চে পা রেখেছিলেন। ফলে বলিউডে তার উপস্থিতি কমে গিয়েছিল। সেই সুযোগে নিজেকে এক নম্বর নায়কের জায়গায় নিয়ে যান মিঠুন। আশির দশকের শেষ দিকে অমিতাভ আবার ফিরে আসেন বলিউডে। তখন মনমোহন দেশাই তাকে আবার পুরনো জায়গা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য একটি ছবি পরিকল্পনা করেন। ছবিতে তিনি মিঠুনকেও নেন। তার মনে হয়েছিল মিঠুনের মতো সুপারস্টার থাকলে ছবি ফ্লপ করবে না।

শোনা যায়, স্ট্রাগলের দিনগুলিতে মিঠুনকে দেখে মনমোহন বলেছিলেন, তার মধ্যে তারকা হওয়ার কোনও উপাদানই নেই। অভিজ্ঞ হলেও মনমোহনের চোখ প্রতিভা চিনতে ব্যর্থ হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মনমোহনকে ভুল প্রমাণ করেছিলেন মিঠুন।

১৯৮৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল সেই ছবি, ‘গঙ্গা যমুনা সরস্বতী’। মনমোহন দেশাইয়ের পরিচালনায় ছবির চিত্রনাট্য লিখেছিলেন কাদের খান। সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন অনু মালিক। ছবির মূল কুশীলব ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, মিঠুন চক্রবর্তী, জয়াপ্রদা, মীনাক্ষী শেষাদ্রি, নিরূপা রায় এবং অমরীশ পুরী।

Check Also

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বাবা

ঘটনাটা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার। এই পাঁচ ঘণ্টার ঘটনা লিখতেই যখন এত শব্দ লাগল, তাহলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.