Breaking News

ধ’র্ম পরিবর্তন করে বি’য়ে, স্ত্রী’র ম’র্যা’দা দিতে অ’স্বী’কৃতি

নেত্রকোনার মদনে নিজের ধ’র্ম ও পরিচয় গো’পন করে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক এক গার্মেন্টসকর্মীকে বি’য়ে করেন তাপস চন্দ্র বিশ্বাস। ৩ বছর সং’সার করার পর এখন স্ত্রী’র ম’র্যাদা দিতে অ’স্বী’কৃ’তি জানানোয় আ’ত্মহ’ত্যা’র চেষ্টা চালান ওই না’রী।

 

সোমবার সকালে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের কেশজানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ধ’র্ম পরিবর্তন করে মুস’লিম মে’য়ে’কে বি’য়ে করায় এলাকায় আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার কেশজানী গ্রামের সুধাংশু বিশ্বাসের ছেলে তাপস চন্দ্র বিশ্বাস গাজীপুরে কাঁচামালের ব্যবসা করার সুবাদে গার্মেন্টসকর্মী শেরপুর জেলার সদর উপজেলার এক তরুণীর (২০) স’ঙ্গে প্রে’মে’র স’ম্প’র্ক গড়ে তুলে। এক পর্যায়ে তাপস চন্দ্র বিশ্বাস নিজের পরিচয় আড়াল করে সুমন ইসলাম পরিচয় দিয়ে ২০১৮ সালে ১৩ ডিসেম্বর ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক মৌলভীর মাধ্যমে বি’য়ে’ সম্পন্ন করে প্রায় তিন বছর ঘর সংসার করে।

৫ মাস আগে মে’য়েটি’কে কোনো কিছু না বলেই সে বাড়িতে চলে আসে। গত ৭ সেপ্টেম্বর সে দ্বিতীয় বি’য়ে করে। এ সংবাদের প্রেক্ষিতে মে’য়ে’টি বি’য়ের একদিন পর স্বামী’র গ্রামের বাড়িতে আসলে তাকে মানসিক রোগী বলে পুলিশ হেফাজতে পাঠায়। মদন থানার পুলিশ তাকে নেত্রকোনা সদর থানায় পাঠায়।

এদিকে স্বামী তাপস চন্দ্র বিশ্বাস তার ২য় স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছে বলে আগের স্ত্রী’কে মোবাইলে মেসেজ পাঠায়। এরই প্রেক্ষিতে রো’ব’বার ওই তরুণী কেশজানী স্বামীর বাড়িতে আসে। স্বা’মীস’হ পরিবারের লোকজন তাকে গ্রহণ না করায় সে অনশনে বসে এবং এক পর্যায়ে আ’ত্ম’হ’ত্যা’র চেষ্টা চালায়।

অনশনরত ওই ত’রু’ণী’ জানান, মুসলিম পরিচয় দিয়ে আমার স’ঙ্গে ই’স’লামিক শরীয়ত মোতাবেক মৌলভীর মাধ্যমে বি’বা’হ সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ ৩ বছর সংসার করার পর আমাকে ছেড়ে বাড়িতে এসে ২য় বি’য়ে’ করে। বিয়ের খবর পেয়ে আমি আসলে আমাকে মা’নসি’ক রোগী বানিয়ে বি’দায় করে দেয়। আমার মা বাবা এই খবর শুনে আমাকে বাবার সং’সার থেকে তাড়িয়ে দেয়। আমি নিরুপায় হয়ে স্ত্রী’র স্বী”কৃতি’র দাবিতে এখানে এসেছি। আমাকে স্ত্রী’র স্বীকৃতি না দিলে আমি যাব না, আমার লা’শ যাবে। সে আমার গ’র্ভে’র ২টি স’ন্তা’নও নষ্ট করেছে।

২য় স্ত্রী সা’ন্তা রা’নী ন’ম’দাস জানান, সে মুস’লিম, আমি হি’ন্দু। আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বি’য়ে করে এনেছে। আমি এখানেই থাকব।

অভিযুক্ত তাপস চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ওই তরুণীর স’ঙ্গে আমার প্রে’মে”র সম্পর্ক ছিল। সে যদি বি’য়ে’র কাগজপত্র দেখাতে পারে তাহলে আমি তাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করব।

ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম ঘটনার সত্যতা স্বী’কা’র করে বলেন, সোমবার ছেলে এবং মেয়ে উভয়কেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মে’য়ে’টি লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে মা’ন’সিক রো’গী বানিয়ে সদর থানায় কেন প্রেরণ করা হয়েছিল বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি সত্য নয়। সদর থানা থেকে তার পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে গেছে।

 

Check Also

কলেজ অধ্যক্ষকে নেতার চড় মারার মুহূর্ত ধরা পড়ল ক্যামেরায়

কলেজ অধ্যক্ষকে চড় মারছিলেন এক নেতা। একবার নয়, একাধিকবার। আর সেই মুহূর্তটি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.