Breaking News

আমেরিকায় শিক্ষকতা ছেড়ে ‘প্লে বয়’ ম’ডেল, বাংলাদেশি ত’রু’ণী যেভাবে অ’ন্ধ’কার জীবনে

পেশায় শিক্ষিকা হলেও মডেলিং-এর প্রতি ঝোঁক ছিল শাহিরা বারির। করোনাকালে সেই সুযোগ কাজেও লাগিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান এই মডেল। তিনি একটি প্রাপ্তবয়স্ক ওয়েবসাইটের মডেল হয়েছিলেন। এক বছর পর তিনি নিজের ‘ভুল’ সিদ্ধান্তের জন্য আফসোস করছেন।

প্রাপ্তবয়স্কদের পত্রিকা ‘প্লে বয়’-এর বার্ষিক পার্টিতে দেখা যায় তাকে। স্বয়ং প্রকাশক হিউ হেফনারের সঙ্গে এক ফ্রেমে ধরা দিয়েছিলেন শাহিরা। আবার হলিউডের খ্যাতনামী মডেল অভিনেত্রী কিম কার্দাশিয়ানের ‘বডি ডাবল’ হিসেবেও কাজ করছেন শাহিরা।

হলিউড ছোঁয়ার স্বপ্ন যে তিনি বহু দিন ধরে লালন করে আসছেন, সে কথা স্বীকার করেছেন। শাহিরা জানিয়েছেন, তিনি ভেবেছিলেন প্রাপ্তবয়স্কদের ওই ওয়েবসাইট তাকে আংশিক স্বপ্নপূরণ সুযোগ দিয়েছে কিন্তু সেই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। প্রাপ্তবয়স্ককদের ওয়েবসাইটে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে তার। তিনি এ কথাও বলেছেন যে, তার মতো মেয়ের জন্য ওই ওয়েবসাইট নয়।

 

প্রাপ্তবয়স্কদের ওয়েবসাইটটির নাম ‘ওনলি ফ্যানস’। চাঁদার বিনিময়ে ওই ওয়েবসাইটের সদস্য হওয়ার পর সেখানে নিজেদের ইচ্ছেমতো বিষয়বস্তু আপলোড করতে পারেন সদস্যরা। হলিউডের বহু তারকা ওই ওয়েবসাইটের সদস্য। যদিও বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত মডেল জানিয়েছেন, তারকাদের সঙ্গ পাওয়ার লোভনীয় সুযোগ থাকলেও এই ওয়েবসাইটে থাকার অনেক ঝুঁকি আছে। আর সেই ঝুঁকির সামনে তিনি নিতান্তই চুনোপুঁটি।

শাহিরা জানিয়েছেন, ওই ওয়েবসাইটের সদস্য হওয়ার জন্য তার হাত থেকে মডেলিং-এর অনেক কাজ হাতছাড়া হয়েছে। এমনকি তার আর্থিক এবং সামাজিক ক্ষতিও হয়েছে।

 

টিকটকেও বেশ জনপ্রিয় ছিলেন শাহিরা। সেখান থেকে অর্থও আসতো। কিন্তু ওয়েবসাইটটির সদস্য হওয়ার পর তার টিকটক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্ন্যাপচ্যাট অ্যাকাউন্টও। উপার্জন কমে যাওয়ার জন্য এখন তাই প্রাপ্তবয়স্কদের ওয়েবসাইটটিকেই দুষছেন শাহিরা।

Check Also

বাংলাদেশ থেকে এক লাখ রোহিঙ্গা নিতে যুক্তরাজ্যকে অনুরোধ

বাংলাদেশ থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে যুক্তরাজ্যে নিয়ে পুনর্বাসন করতে দেশটির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.