Breaking News

বিশ্বনবী (স.)কে নিয়ে ক’টূক্তি, ৩ জনের কা’রাদ’ণ্ড

পাবনার আতাইকুলায় হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অব’মান’নাকর প্রচার ও প’র্নোগ্রা’ফির ঘ’টনায় দা’য়েরকৃত মা’মলায় ৩ আ’সামির ১০ বছরের সশ্রম কা’রাদ’ণ্ড ও প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন রাজশাহীর সা’ইবার ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জিয়াউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, আমিনুল এহসান, জহিরুল ইসলাম ও খোকন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ সময় ৭ আ’সা’মিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসমত আরা আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, ২০১৩ সালের ২রা নভেম্বর রাজীব নামের এক ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে মহানবীকে কটু’ক্তি করে ছবি আপলোড করা হয়। পরে মুসলিমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী রাজীবের বাড়িতে হা’ম’লা, ভাঙ’চুর ও আ’গুন দেয়। পরে এ ঘটনায় ৫৭ ধারায় মাম’লা হয়।

 

গুরুগ্রামে ৮ এলাকায় প্রকাশ্যে নামাজ পড়া নিষিদ্ধ করলো প্রশাসন

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশের প্রযুক্তিভিত্তিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির কেন্দ্র গুরুগ্রাম শহরের ৮ এলাকায় প্রকাশ্যে নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নগর প্রশাসন। প্রশাসনের বরাত দিয়ে বুধবার (৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (০২ নভেম্বর) গুরুগ্রাম নগর প্রশাসন কর্তৃপক্ষ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, মুসলিম সম্প্রদায়ের জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ ও ঈদগাহের বাইরে মোট ৩৭টি খোলা স্থান বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তির কারণে এই ৩৭টি স্থানের ৮টিতে নামাজ আদায়ের জন্য না যেতে মুসলিমদের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

যে ৮টি স্থান প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে তার ৪টিই গুরুগ্রামের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা ৪৯ নম্বর সেক্টরে। এছাড়া জাকারান্দা মার্গ অঞ্চলের ডিএলএফ এলাকায় ৩টি এবং সুরাট নগর অঞ্চলে ১টি স্থান রয়েছে এই তালিকায়।

গুরুগ্রামের পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার আমান যাদব বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এসব এলকার বাসিন্দারা প্রকাশ্যে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে আসছেন। ২৯ অক্টোবর জুমার নামাজের সময় তারা প্রতিবাদী সমাবেশও করেছেন। সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়ার অভিযোগে গত সপ্তাহে এ রকম এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আমান যাদব।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি যেন বিপজ্জনক না হয় সেজন্য আগাম সতর্কতা হিসেবে আমরা নগর প্রশাসন বরাবর এই আট এলাকায় নামাজ আদায় নিষিদ্ধের প্রস্তাব করেছিলাম। নগর প্রশাসন প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।

গুরুগ্রামের ডেপুটি কমিশনার ইয়াশ গার্গ বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, মসজিদ, ঈদগাহ এবং ২৯টি এলাকায় আপাতত মুসল্লিদের জুমার নামাজ আদায়ে কোনো বাধা নেই। তবে মসজিদ ও ঈদগাহর বাইরে যে ২৯ টি স্থানে এখনও জুমার নামাজ আদায় হচ্ছে, কোনো এলাকার বাসিন্দারা আপত্তি জানালে সেখানেও একই আদেশ জারি করা হবে।

Check Also

বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় ২ কোটি ২৮ লাখ টাকা দিল যুক্তরাষ্ট্র

দেশের বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষের সহায়তা হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি) জরুরিভাবে ২ কোটি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.