বর মা’তাল হওয়ায় বি’য়ে ভে’ঙে দিলেন কনে

ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে মদ খেয়ে গিয়েছিলেন বর। আর কনে তা লক্ষ করে বিয়ে ভেঙে দেন। এ ঘটনায় বেশ আলোচনায় এসেছেন ওই নারী। তার বিয়ে ভাঙার সাথে একমত ছিলেন বাবা মাও। তবে বিয়ে না করে কিছুতেই ফিরে যেতে রাজি ছিল না বরপক্ষ। শেষপর্যন্ত পুলিশের উপস্থিতিতে এ ঘটনার মীমাংসা।

মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলার সুথালিয়ায় ঘটে এই ঘটনা। ইনডিয়া টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এমন একটি খবর এসেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়,বরের সাথে যারা ছিলেন, তারাও প্রায় সবাই ছিলেন মাতাল।

মুসকান নামের ওই তরুণী বিয়ে না করার ঘোষণায় বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কেউ কেউ বলছেন, এমন প্রতিবাদ প্রয়োজন ছিল। সাহসিকতার একজন নজির বলেও উল্লেখ করছেন কেউ কেউ। তবে কেউ আবার বলছেন, সাময়িক একটি ভুলের জন্য এত বড় সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হয়নি।

 

প্রেমের টানে ছুটে আসা বিদেশিনী এবার ইউপি মেম্বার

 

প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে ঘর বাঁধার খবর এখন খুব একটা নতুন নয়। তবে নতুন খবর হলো, ফিলিপাইন থেকে আসা তেমনই এক নারী এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ছিনিয়ে এনেছেন জয়ের মালা।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার রাধাকানাই ইউনিয়নে এখন সবার মুখে মুখে ফিলিপাইন থেকে আসা জীন ক্যাটামিন পেট্রিয়াকার নাম। ১০ বছর আগে প্রেমের টানে এসেছিলেন বাংলাদেশে। সংসার পাতেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নে একটি গ্রামে। পোশাকে-আশাকে পুরোদস্তুর বাঙালি তিনি। শুধু ভালোমতো আয়ত্ব করতে পারেননি বাংলা ভাষাটা।

পেট্রিয়াকা বাংলাদেশে তার নতুন পরিবারে তো বটেই মিশে গেছেন এলাকার লোকজনের সাথেও। এবার দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হয়েছিলেন প্রার্থী। প্রথমবারই পেট্রিয়াকা করেছেন বাজিমাত। তার প্রতিদ্বন্দ্বী যেখানে পেয়েছেন দুই হাজারেরও কম ভোট সেখানে মাইক প্রতীক নিয়ে সাড়ে চার হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। আশপাশের মানুষ আর ভোটারদের ভালোবাসায় আপ্লুত নির্বাচিত এই ইউপি সদস্য।

ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনে পেট্রিয়াকাকে পেয়ে খুশি এলাকাবাসী।

পেট্রিয়াকা আর স্বামী জুলহাস উদ্দিনের ঘরে দুই সন্তান। বেশ মানিয়ে নিয়েছেন গ্রামীণ পরিবেশে। তার এখন একটাই আক্ষেপ, এখনও ঠিকঠাক শিখে উঠতে পারেননি বাংলা ভাষাটা।

যুবক বয়সে জুলহাস কাজের জন্য গিয়েছিলেন সিঙ্গাপুরে। সেখানে পরিচয় ফিলিপাইনের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন করা পেট্রিয়াকার সাথে। ধীরে ধীরে মনের লেনদেন। শেষপর্যন্ত পরিবারকে বুঝিয়ে জুলহাসের কাছে চলে আসেন পেট্রিয়াকা। বিয়ের পর ধর্মান্তরিত হয়ে নামও নেন জেসমিন আক্তার জুলহাস। তবে কাগজ-কলমের ঝামেলা এড়াতে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় থেকে গেছে আদি নামেই।

Check Also

গৃহবধূকে নিয়ে লাপাত্তা স্কুলছাত্র

রাজশাহীর তানোরে গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়েছে নবম শ্রেণীর এক ছাত্র। ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সন্ধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published.