কুলাউড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত, আশ্রয় কেন্দ্রে ৩ ফুট পানি

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কুলাউড়ার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। কুশিয়ারা নদীর পানি হাকালুকি হাওরে প্রবেশের ফলে হাকালুকি হাওরের পানি ফুঁসে উঠেছে। বন্যার্তদের জন্য ৩৩টি আশ্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় চিড়া, মুড়ি, গুড়, মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধিকরণ বড়ি,খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হয়েছে।

হাওর এলাকার ভুকসিমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান জানান, ইউনিয়নের ৮০ ভাগ বাড়িঘর এখন পানির নিচে। দুর্গত এলাকার পরিবারগুলো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। শহরের ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজ আশ্রয় কেন্দ্র ৩ ফুট পানির নিচে রয়েছে। কোমর পানি পেরিয়ে বানভাসিরা আশ্রয় কেন্দ্রে আসছে।

উপজেলার গোগালি ছড়া, ফানাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে পাহাড়ি ঢলে মনু নদীর পানি বিপদসীমার ১ সে.মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধূরী জানান, উপজেলায় ৩৩ টি আশ্রয় শিবির খোলা হয়েছে। ১০টিতে শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। র্গত এলাকায় শুকনা খাবার ও ঔষধ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার থেকে উপজেলার চা বাগানর গুলিতে কাঁচা পাতা সংগ্রহ বন্ধ রয়েছে ফলে চা বাগান গুলি ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে।

Check Also

রুহি তখনো জানে না বাবা নেই

গোলাম মোস্তফা নিরু (২৬)। মাইক্রোবাসের রুজি দিয়েই চলতো সংসার। গাড়ির চাকার সঙ্গে থেমে গেছে তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.